+91 8001249704

indiandocumentary888@gmail.com

Boshikaran o Taj Solenani Tantra Mantra/ বশীকরণ ও তাজ সোলেমানি তন্ত্র মন্ত্র

Boshikaran o Taj Solenani Tantra Mantra/ বশীকরণ ও তাজ সোলেমানি তন্ত্র মন্ত্র

499.00

Compare

Share this product

Boshikaran o Taj Solenani Tantra Mantra/ বশীকরণ ও তাজ সোলেমানি তন্ত্র মন্ত্রhttps://www.tantramantrabookshop.com/?post_type=product&p=11223&preview=true        বশীকরণ তাজ সোলেমানি” (Boshikoron Taj Solaimani) হলো মূলত উপমহাদেশে প্রচলিত এক ধরনের প্রাচীন বা ঐতিহ্যবাহী তান্ত্রিক, আধ্যাত্মিক এবং কবিরাজি বইয়ের নাম বা সংকলন। এটি সাধারণত তিব্বতি, সুলেমানি (হজরত সুলেমান আলাইহিস সালামের আমলের বলে দাবি করা), এবং বিভিন্ন লোকজ কালাজাদু বা তন্ত্র-মন্ত্রের সংমিশ্রণে তৈরি বলে মনে করা হয়।
নিচে এর মূল বৈশিষ্ট্য ও বিবরণ দেওয়া হলো:
১. মূল বিষয়বস্তু
এই বই বা পদ্ধতিগুলোর মূল উদ্দেশ্য থাকে “বশীকরণ” বা কাউকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট/বশীভূত করা। এর মধ্যে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে:
প্রেম-ভালোবাসা: কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা বা ফিরিয়ে আনা।
পারিবারিক শান্তি: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার কলহ দূর করে মিলমিশ তৈরি করা।
শত্রু দমন: শত্রুকে শান্ত করা বা তার কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার উপায়।
ব্যবসা ও সাফল্য: মানুষের মন জয় করে ব্যবসায়িক বা …সামাজিক সাফল্য পাওয়া।
২. ব্যবহৃত পদ্ধতি ও উপাদান
তাজ সোলেমানি পদ্ধতিতে লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের তান্ত্রিক ও আধ্যাত্মিক মাধ্যম ব্যবহার করা হয়:
নকশা ও তাবিজ: বিশেষ কিছু জ্যামিতিক নকশা বা সংখ্যার ছক (যাকে সোলেমানি নকশা বলা হয়) জাফরান কালি বা বিশেষ কালি দিয়ে ভোজপত্রে বা কাগজে লেখা হয়।
মন্ত্র ও দোয়া: নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা মন্ত্র নির্দিষ্ট সংখ্যায় জপ বা পাঠ করা।
লোকজ উপাদান: অনেক সময় ফুল, মিষ্টি, বা ব্যক্তির ব্যবহৃত কোনো জিনিসের ওপর মন্ত্র পড়ে তা প্রয়োগ করার কথা বলা হয়।
৩. ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
সোলেমানি ঐতিহ্য: মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতীয় উপমহাদেশের লোকবিশ্বাসে বিশ্বাস করা হয় যে, হজরত সুলেমান (আ.)-এর কাছে জিন ও প্রকৃতির ওপর নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ছিল। সেই ধারা বা নামের সূত্র ধরেই এই ধরনের বইয়ের নামকরণ “তাজ সোলেমানি” বা “সোলেমানি তাবিজের কিতাব” রাখা হয়।
লোকসংস্কৃতি: আধুনিক বিজ্ঞান বা প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মতত্ত্বে এই ধরনের অন্ধ বশীকরণ বা কালাজাদুর কোনো বৈজ্ঞানিক বা ধর্মীয় অকাট্য ভিত্তি নেই। তবে গ্রামগঞ্জ ও লোকসমাজে কবিরাজি ও তান্ত্রিক চিকিৎসার অংশ হিসেবে এটি দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত।